মগবাজার চৌরাস্তা থেকে বাংলামটরের দিকে যেতে হাতের বাঁয়ে প্রথম চিপা গলিতে ঢুকলে দ্বিতীয় বাড়িটাই ছিল ২০নং নিউ ইস্কাটন রোড। এই বাড়িটার দোতলার বাম দিকের সাড়ে তিন রুমের
আমি কোন রাজনীতিবিদ নই। ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম শখের বশে। কোন আদর্শের জন্য নয়। আমার ক্ষুদ্র মস্তিস্কে যা কিছু দেখার সুযোগ হয়েছে তাতে জেনেছি আমাদের দেশের
শীতের দুপুরে লাঞ্চ সেরে বিল্ডিংএর বাইরে দাঁড়িয়ে হীমশীতল বাতাস থেকে বাঁচার জন্য জ্যাকেটের হুডটা মাথার উপর টেনে দিয়ে বিড়ি টানছিলাম আপন মনে। সামনের সাইড ওয়াক দিয়ে হাজার
আড্ডাবাজ মানুষ আমি। পারলে পছন্দের মানুষদের সাথে প্রতিদিন আড্ডা দেই। দিতামও তাই। যতক্ষণ একা ছিলাম তখন প্রতিদিন আড্ডা হতো। দেশ এবং বিদেশে সবখানেই। একদিন আড্ডা না হলে
দেশে এখন মাঘ মাস। মানে শীতকাল। তাপমাত্রা সেন্টিগ্রেডের হিসাবে চৌদ্দ ডিগ্রী। তাতেই মানুষের শীত নিয়ে অভিযোগের শেষ নাই। সবাই নাকি কাঁপতে কাঁপতে শেষ। কাঁপার তো কথাই। ইট
পরী আজ রোজা রেখেছে। সারাদিন শুয়ে শুয়ে চিন্তা করছে কি কি খাবে ইফতারীতে। মাত্র আসরের নামাজ হয়েছে। তাকিয়ে দেখলো মা নামায পড়ে তসবিতে চুমু খেতে খেতে জায়নামাজ
১৯০৪ সালে প্রথম ব্যাক্তি মালিকানায় নিউইয়র্ক শহরের মানুষের প্রতিদিনের চলাচলের জন্য সীমাবদ্ধ লাইনে রাস্তার উপরে ব্রীজ তৈরি( Elevated Train ) করে চালু হয় ‘সাবওয়ে’ সিস্টেম যা পরবর্তিতে
আমেরিকার টাকা পয়সা ছাপানোর দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় কোষাগার যার নাম ‘ইউএস ট্রেসারী’, তার আবার আলাদা দুইটা ভাগ আছে। কাগজের নোট ছাপায় ‘ব্যুরো অফ এনগ্রেভিং এন্ড প্রিন্টিং’। আর