না জানলে মনে হয় আমেরিকার শাসন পদ্ধতি খামোকা মহা জটিল কিছু। জানার পর অবাক হতে হয় ভেবে সেই কোন আদিম কালে আমেরিকা রাষ্ট্রের ‘ফাউন্ডিং ফাদার্স’ মানে স্থপতিরা
ঈদের ছুটির শেষে ঢাকা শহর আবার গরম হতে শুরু করলো। মানুষেরা কাজে আর ছাত্ররা ক্যাম্পাসে ফিরতে শুরু করেছে। পোলাপানের হাউকাউ দেখতে ভালই লাগে পিস্টনের। কাউরে চেনে আবার
সূর্যসেন হলের এই রুমটায় থাকতাম আমি আর ডালিম। অনেকদিন একসাথে এক বিছানায় ঘুমিয়েছি আমরা। বেডটা এত চিপা ছিল, সেটাই দুজন মানুষ কেমন করে ঘুমাতাম ভাবলে এখন খুব
#এক যেদিন প্রথম কাজ খুঁজতে গেলাম, লোকটা কাজ দিয়ে আমাকে সামনের ফুটপাথটা ঝাড়ু দিতে বলল। ঝাড়ু দিয়ে ঠেলে মানুষের ফেলে যাওয়া সিগারেটের লেজ, চুইংগামের কভার এক জায়গায়
সন্ধ্যার পর বাইট্টা আর নুলা সোহরোওয়ার্দী উদ্যান থেকে পিস্তল ঠেকিয়ে স্টেনগান ওয়ালা এক কনস্টেবলকে উঠিয়ে নিয়ে এলো চোখ বেঁধে। পুলিশ বেচারা ভয়ে প্যান্ট ভিজিয়ে ফেললো। ভেবেছে তার
টুনি শুধু পড়াশুনায় ভাল না, মানুষ হিসাবেও। গ্রামের সবার প্রিয় মানুষ। চঞ্চলা হরিণীর মত ঘুরে বেড়ায় গাঁ এর এমাথা থেকে ওমাথায়। কার কোথায় কি সমস্যা, কে নাম
শুধু মনে আছে সবাই সব সময় সাধারণ শার্টপ্যান্ট পরে আসে কিন্তু কামাল মাঝে মাঝে স্যুট-টাই পরে আসতো ইউনিভার্সিটিতে। ব্যাপারটা খুব স্বাভাবিক ছিল না। প্লেনে প্রথম ওঠার অভিজ্ঞতা
রাত মাত্র আটটা বাজে। দিনের বেলার সরগরম ক্যাম্পাস সন্ধ্যা নামলে কেমন সুনসান হয়ে যায়, না দেখলে বিশ্বাস হবে না। টি,এস,সি এলাকা জীবন্ত থাকলেও কলা ভবনের পেছন দিকটা