কুন্তি তার পুলিশ চাচার ভরসা দিলেও কাউঠা সাহস পেলো না পিস্টনকে হাসপাতালে ফেলে রাখতে। পিস্টন চোখ মেলে তাকালে তার কানের কাছে গিয়ে ফিসফিস করে ভেগে যাওয়ার আইডিয়াটা
চৌরাস্তার মোড়ে পৌঁছানোর আগেই বৃষ্টিতে ভিজে জবুথবু হয়ে গেলো সবাই। ঘুটঘুটে অন্ধকার চারিদিকে। রাস্তার বাতিগুলি মনে হয় ফিউজ হয়ে আছে। ভালই হল। কেউ দেখতে পাবে না ওদেরকে।
রাসু’র খুনী আজিমপুরের বজু’রে খুন করে পিস্টন তার প্রিয়জনের খুনের বদলার সুখ পেয়েছে বটে, কিন্তু পুলিশ তাকে ছাড়ছে না। তার ছোট মুরুব্বী পুলিশের ওসি তাকে খবর পাঠিয়েছে